ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে রাজধানীর বিমানবন্দর সড়ক অবরোধ করছেন বিভিন্ন গার্মেন্টসের শ্রমিকরা। কয়েক দিন পরপর এ ধরনের অবরোধের কারণে ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ যাত্রী, কর্মজীবী মানুষ ও পথচারীরা। যান চলাচল ব্যাহত হওয়ায় সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে সমস্যায় পড়ছেন অনেকে।গার্মেন্টস শ্রমিকরা তাঁদের বেতন বৃদ্ধি ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মজুরি নিশ্চিত করার দাবিতে আন্দোলন করছেন। অন্যদিকে, গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে অবরোধের কারণে যাত্রীদের যাতায়াত, কর্মজীবী মানুষের দৈনন্দিন কাজ এবং জরুরি প্রয়োজনে চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার পাশাপাশি জনদুর্ভোগ কমানোও জরুরি। এ ক্ষেত্রে শ্রমিকদের দাবি, মালিকপক্ষের সামর্থ্য এবং বর্তমান জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে একটি বাস্তবসম্মত ও গ্রহণযোগ্য সমাধান খুঁজে বের করা প্রয়োজন।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত দ্রুত শ্রমিক প্রতিনিধি ও মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসে সমস্যার স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া। একই সঙ্গে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং বিকল্প ব্যবস্থার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমানোর পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।
শ্রমিকদের দাবি উপেক্ষা না করে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ তৈরি করা গেলে একদিকে শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা করা সম্ভব হবে, অন্যদিকে বারবার সড়ক অবরোধের কারণে সৃষ্ট জনভোগান্তিও কমানো যেতে পারে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের দায়িত্বশীল ভূমিকা ও কার্যকর উদ্যোগ প্রত্যাশা করছেন ভুক্তভোগীরা।