• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
টপ নিউজ
৮০ লাখ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ, দুদকের হাতে সার্ভেয়ার আটক‘একা জেলে যাব না, এসিল্যান্ডকেও গ্রেপ্তার করুন’—আটকের পর সার্ভেয়ারের দাবি, তদন্তে দুদক ভাণ্ডারিয়ায় এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আসামি গ্রেপ্তার মিরপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, বন্ধ মেট্রোরেলের ৫ স্টেশন ‎বেনাপোল সীমান্তে ১৭ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি, কম্বল ও প্রসাধনী জব্দ জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ : প্রধানমন্ত্রী এইচএসসিতে অকৃতকার্যদের এক মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী সৈয়দপুরের দুর্গাদহে দুর্গা বিসর্জন উপলক্ষে শাহীন মন্ডলের শুভেচ্ছা বিনিময় আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেবে না জনগণ : স্পিকার চট্টগ্রামে নেতাকর্মীদের ‘নতুন বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী যমুনার ঢেউয়ে আঁকা সৌন্দর্য: পর্যটকের নতুন আকর্ষণ সিরাজগঞ্জের চায়না বাঁধ
নোটিশ
Wellcome to our website...জনপ্রিয় বাংলার দিগন্ত টিভিতে জরুরি ভিত্তিতে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যারা প্রতিনিধি হতে আগ্রহী তারা banglardiganta03@gmail.com এ সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং জীবন বৃত্তান্ত পাঠান। আপনার আশেপাশে ঘটে যাওয়া যেকোনো ঘটনা আমাদের জানাতে মেইল করুন banglardiganta03@gmail.com প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন ০১৮৬৫-৪৬০০৩০

আশুলিয়ায় লাইসেন্স ও ডিগ্রি ছাড়াই ‘ডাক্তার’ সেজে চলছে ফার্মেসি, প্রতারণার অভিযোগ ‘মা-বাবার আশীর্বাদ’ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে

সাঈম সরকার / ৩৫ Time View
Update : বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬

সাভারের আশুলিয়ার কলমা এলাকায় কোনো ধরনের বৈধ কাগজপত্র, ট্রেড লাইসেন্স কিংবা ড্রাগ লাইসেন্স ছাড়াই বছরের পর বছর একটি ফার্মেসি পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করে সাধারণ রোগীদের সাথে চিকিৎসার নামে প্রতারণা করারও গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম শিতল কুমার সরদার (৪৬), পিতা-মৃত কুমুদ রঞ্জন সরদার। কলমা-১ এলাকার ওয়াহেদ আলী মার্কেটে অবস্থিত ‘মা-বাবার আশীর্বাদ’ নামক প্রতিষ্ঠানটি তিনিই পরিচালনা করে আসছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মাবলী বা ওষুধ প্রশাসনের কোনো তোয়াক্কা না করেই শিতল কুমার সরদার নিজের নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করে আসছেন। চিকিৎসা শাস্ত্রে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি বা বিএমডিসি (ইগউঈ)-এর নিবন্ধন না থাকা সত্ত্বেও তিনি নিয়মিত সাধারণ ও সরল প্রকৃতির লোকজনকে বিভিন্ন রোগের প্রেসক্রিপশন দিয়ে আসছিলেন। তার দোকানে বিভিন্ন কোম্পানির নিষিদ্ধ, মেয়াদোত্তীর্ণ ও অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ দেদারছে বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, কোনো বৈধ অনুমোদন বা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে তিনি এই অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। গ্রামীণ সাধারণ মানুষ তার প্রতারণার ফাঁদে পড়ে যেমন আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, তেমনি মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতেও পড়ছেন। অথচ প্রশাসনের কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ না থাকায় তিনি দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল ও ভুক্তভোগীরা দ্রুত সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা অবৈধ এই ডায়াগনস্টিক বা ফার্মেসি ব্যবসা সিলগালা করে ভুয়া ‘ডাক্তার’ সেজে থাকা শিতল কুমার সরদারের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category